১৩ নম্বর ভূতের গলি — রহস্য, ভয় আর রোমহর্ষক ঘটনার এক শিহরণজাগানো কিশোর উপন্যাস।
বাবা আলিমুজ্জামানের বন্ধু নুরুল হকের আমন্ত্রণে পরিবারের সঙ্গে মফস্বল শহর থেকে বেড়াতে আসে টুবুন। বাড়িটির ঠিকানা—বাড়ি নম্বর ১৩, ভূতের গলি। সঙ্গে রয়েছেন টুবুনের বাবা আলিমুজ্জামান ও মা সাহানা বেগম। কিন্তু বাড়িতে পা রাখার পর থেকেই কেমন যেন অস্বস্তি অনুভব করে টুবুন।
এদিকে বন্ধুর পরিবারকে বাড়িতে রেখে ব্যবসায়িক সফরে বিদেশে যান নুরুল হক। কিন্তু এরপর তাঁর সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা যায় না। কিছুদিনের মধ্যেই বাড়িটিকে ঘিরে শুরু হয় একের পর এক অদ্ভুত ও ভুতুড়ে ঘটনা।
বাড়ির পেছনের বাগানে টুবুন আবিষ্কার করে কুচকুচে কালো একটি মুণ্ডুহীন বিড়াল। কোথাও থেকে ভেসে আসে গা শিউরে ওঠা পৈশাচিক হাসি। রাতের অন্ধকারে কে যেন হেঁটে বেড়ায় বাড়ির ভেতর। এক গভীর রাতে টুবুনের চোখে পড়ে আরও ভয়ংকর এক দৃশ্য—এক রহস্যময় বৃদ্ধা ডাইনিং টেবিলে বসে কড়মড় শব্দে চিবিয়ে খাচ্ছে কালো বিড়ালের মাথা!
কে এই রহস্যময় বৃদ্ধা? নুরুল হক কেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন? আর ১৩ নম্বর ভূতের গলিতে আসলে কী ভয়ংকর রহস্য লুকিয়ে আছে?
সাহস, কৌতূহল ও রহস্যের টানে টুবুনের সঙ্গে পা রাখুন ১৩ নম্বর ভূতের গলিতে। ভয় ও রোমাঞ্চপ্রিয় কিশোর পাঠকদের জন্য সুস্ময় সুমনের এক শিহরণজাগানো আয়োজন।