মিলির অফিস একটি এনজিও-র। তারা সমাজের নিম্ন স্তরের মানুষকে নিয়ে কাজ করে। তাদের মানসিক সহায়তা দেয়- দৃঢ় হতে শেখায়। তাদের আইনি সহায়তা দিয়ে সমাজের সাথে দ্বন্দ্বে নামে। তাদের আর্থিক সহায়তা তেমন দিতে পারে না। তবুও দেওয়ার চেষ্টা করে, দেয়ও। কখনো কখনো। যখন না দিয়ে আর পারে না। তখন বাধ্য হয় অপর্যাপ্ত ফান্ড থেকে খামছি দিয়ে কিছু অর্থ বের করে আনে।
মিলির সভাপতিত্বে তারই অপরিসর কক্ষে মিটিং চলছিল। উপস্থিত আছেন চিকিৎসক শিলা, সাহিত্যিক রেবা এবং ব্যবসায়ী তাহের। মাসুম- মিলির স্বামী আজ উপস্থিত নেই। তাতে কোনো সমস্যা নেই। মিলিই তার প্রক্সি। মিস্টার তাহের একজন সত্যিকার ভদ্রলোক, অমায়িক। তার চেয়েও বেশি সংবেদনশীল মানুষ। এই প্রতিষ্ঠানের একমাত্র অর্থের যোগানদাতা। প্রতিষ্ঠাতাও বলা চলে। কিন্তু তিনি এই ক্রেডিটটা মিলিকে দিতে চান। তার মতে মিলির মতো ডেডিকেটেড একজনকে পেয়েছেন বলেই এই প্রতিষ্ঠান