সারাজীবন ধরে যাঁর দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল সূদুর নক্ষত্রলােকের প্রতি, তিনি যে সহৃদয়তার সঙ্গে তার আশেপাশের মানুষকে দেখতে চেষ্টা করেছেন, এটাই তাে তার চরিত্রের মহত্ত্ব, জীবনের পরম গৌরব। তাঁর এই চারিত্রিক মহত্বের উজ্জ্বল আলাে শুধু যে এই শতাব্দীকেই উদ্ভাসিত করে দিয়েছে তা নয়। পরবর্তী শতাব্দীগুলিও তিনি আলােকিত করে গিয়েছেন। আর কি নম্র, শান্ত, মধুর প্রকৃতির মানুষ ছিলেন তিনি। তাঁর জীবন ইতিহাসে আমরা দেখতে পাই যে, এই বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানীকেও অনেক সময় সভা সমিতিতে প্রকাশ্যভাবে তাঁকে গালিগালাজ করা হতাে। আইনস্টাইন স্বয়ং উপস্থিত থাকলেও তার প্রতিবাদ করতেন না বা জবাব দিতেন না। একটি মহৎ মনের অধিকারী ছিলেন তিনি যা সচরাচর বিজ্ঞানীদের মধ্যে দুর্লভ-এই কথা এক বাক্যে স্বীকার করেছেন তার সতীর্থগণের প্রায় সকলেই।