আর্নেস্তো সাবাতো'র 'সুড়ঙ্গ' (EL TUNNEL) একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী উপন্যাস, যেখানে একাকীত্ব, আবেশ এবং মানবিক বিচ্ছিন্নতার ভয়াবহ পরিণতি উন্মোচিত হয়েছে। গল্পটি আবর্তিত হয়েছে হুয়ান পাবলো কাস্তেল নামের এক চিত্রশিল্পীকে ঘিরে, যিনি নিজের শিল্পকর্মে এক নারীর দৃষ্টি ও উপলব্ধি দেখে তার প্রতি মোহাবিষ্ট হয়ে পড়েন। সেই নারী হলেন মারিয়া ইরিবার্ন। কান্তেলের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলা এই কাহিনি ধীরে ধীরে উন্মোচন করে তার ভেতরের অন্ধকার, যা শেষ পর্যন্ত এক ভয়াবহ অপরাধে রূপ নেয়। কান্তেলের 'সুড়ঙ্গ' প্রতীক হয়ে দাঁড়ায় তার মানসিক ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার। এটি শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়, বরং মানুষের অন্তর্গত ভয়, আবেশ ও বিচ্ছিন্নতার প্রতিচ্ছবি।
লাতিন আমেরিকান সাহিত্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা পরবর্তী প্রজন্মের লেখকদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশের পরপরই আলবের কামু ও গ্রাহাম গ্রিনের মতো সাহিত্যিকরা বইটির প্রশংসা করেন।