বনফুলে ধন্য হলো কান, নাকি,
বনফুলই ধন্য হলো কানে
সুলতানা ইয়াসমিন, আশা করি, জানে।
হলুদ-গোলাপী পুষ্পাণু, হিরকের হেক্সাগোন,
পরস্পর মিলে
উত্তল হিরক মঞ্জুরী ফুটেছিলো রাঙামাটি
পার্বতী পাহাড়ের ঢালে, পীচগড়া পথের দু’ধারে;
জানি না, কেমন করে এলো কানে,
কোন যাদু টানে,
মনে হয়, নিশ্চয়, সুলতানা ইয়াসমিন, জানে।
ওই বনফুল দুল রূপে,
কী করে এলো যে চুপে চুপে
সবুজের সমারোহ বেষ্টনী ছেড়ে, এতো পথ বেড়ে
খুঁজে পেলো সুলতানার কান
শুনাবে কী সুলতানা সে সব বয়ান!
দুইকান, সামুদ্রিক শঙ্খের মতো সুন্দর,
বিস্রস্ত রেশমি চুল বিলি কাটে,
কে জানে! হয়ত প্রেমিক কোন পুরুষের চোখ
সুন্দরের তুমুল ক্ষুধায় আটকে যেতো খাঁজে!
বনফুল নির্ভুল নিয়ে ঠাই
ঠিক কোমল লতির পরে, নান্দনিক,
বলে যেনো, ‘এদিকে তাকাও, দেখি,
কতোটা প্রেমিক’।
প্রেমিকের বিস্ময়ের ঘোর, আনমনে,
কোন টানে, বনফুল এলো ওই কানে,
‘মনে হয়, নিশ্চয়, সুলতানা ইয়াসমিন, জানে’।
রবিবার, ১০/০৯/২০১৭, সন্ধ্যা
এজিবি কলোনি, মতিঝিল, ঢাকা।