বালি দ্বীপে শরীফ আহমেদের লেখা একটি হৃদয়ছোঁয়া পারিবারিক ভ্রমণকাহিনি। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের প্রকৃতি, মন্দির, সমুদ্র, দর্শনীয় স্থান এবং পরিবারের সঙ্গে কাটানো আনন্দময় সময়ের স্মৃতি এই বইয়ে উঠে এসেছে আন্তরিক ও সহজ-সাবলীল বর্ণনায়।
২০২৩ সালের মার্চে লেখক স্ত্রী লাবণ্য এবং দুই সন্তান ইরহা ও ইরশানকে নিয়ে ফিলিপাইনের ম্যানিলা থেকে এয়ার এশিয়ার ফ্লাইটে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে পাড়ি জমান। দেনপাসারের ন্গুরাহ রাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সেই মুহূর্ত থেকেই শুরু হয় তাঁদের স্মরণীয় পারিবারিক ভ্রমণ। বালির শহরগুলোর রাস্তার দুই পাশে কাঠগোলাপের সারি, টেম্পলের বৈচিত্র্য এবং অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভ্রমণটিকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।
এই ভ্রমণকাহিনিতে রয়েছে তানাহ লট টেম্পল, ভারী বৃষ্টির মধ্যে উলুন দানু বেরাতান টেম্পল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, নীল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে স্পিডবোটে নুসা পেনিদা যাত্রা এবং সেখানকার বিখ্যাত ব্রোকেন বিচ ও কেলিংকিং বিচের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যের বর্ণনা। পাশাপাশি রয়েছে উবুদের মাঙ্কি ফরেস্ট, তম্পকসিরিংয়ের পবিত্র ঝরনা এবং বালির বিভিন্ন টেম্পল ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা।
উবুদের স্বপ্নের বাড়ির মতো ভিলায় কাটানো শেষ রাত, ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে নীরব রাস্তায় হাঁটা এবং দোকান থেকে কলা-বিস্কুট কিনে আনার মতো ছোট ছোট পারিবারিক মুহূর্ত বইটিকে দিয়েছে বিশেষ আবেগ। বালি থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে ভ্রমণ শেষ হলেও সেই ভ্রমণের স্মৃতি আজও রয়ে গেছে হৃদয়ের গভীরে।