চুল কি কেবল শরীরের একটি অংশ, নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্যক্তির পরিচয়, সৌন্দর্য, যৌবন, প্রতিবাদ এবং সামাজিক বিশ্বাসের গভীর সম্পর্ক? একক, অবিভাজ্য ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য হয়েও চুল কীভাবে সমাজ, সংস্কার ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পরিচায়ক হয়ে ওঠে, তা নিয়ে ব্যতিক্রমী অনুসন্ধানমূলক গ্রন্থ ‘চুল: সমাজ সংস্কার অভিব্যক্তি’।
এই বইয়ে অভিধান, বিভিন্ন শাস্ত্র, পুরাণ ও সাহিত্যের প্রাসঙ্গিক উল্লেখের মাধ্যমে চুলকে ঘিরে গড়ে ওঠা সামাজিক ধারণা, সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ, ধর্মীয় অনুশাসন ও প্রচলিত সংস্কার বিশ্লেষণের চেষ্টা করা হয়েছে। যে চুল কখনো সৌন্দর্য ও যৌবনের প্রতীক, কখনো প্রতিবাদ ও দ্রোহের প্রকাশ, তা কীভাবে কোনো কোনো সমাজে নিষিদ্ধতা বা ট্যাবুর বিষয় হয়ে ওঠে—বইটি সেই প্রশ্নগুলোর অনুসন্ধান করে।
সমাজের প্রচলিত রীতিনীতি, মানুষের ব্যক্তিগত পরিচয় এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি হতে পারে চিন্তাশীল পাঠের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।