কেন এই বই? কেন এখন?
২১ শতকের প্রচলিত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এখনো অনেকাংশে সামরিক ও গির্জার পুরোনো সংগঠন কাঠামো থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে এসেছে। এগুলো তৈরি হয়েছিল একেবারে ভিন্ন সময়ে—যখন ইন্টারনেট ছিল না, স্মার্টফোন ছিল না, বিগ ডেটা, অ্যালগরিদম বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো কোনো প্রযুক্তি ছিল না। তখন কর্মচারীদের তদারকি করার একমাত্র উপায় ছিল সরাসরি নজরদারি।
সামরিক ও গির্জা বিভাগভিত্তিক সংগঠন ছিল, বহু স্তর বিশিষ্ট। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোও সেই মডেল নকল করে।
পরে এল একটি বড় উদ্ভাবন—১৯২০-এর দশকে DuPont কর্পোরেশনের পিয়ের ডুপন্ট এবং জেনারেল মোটরসের আলফ্রেড স্লোন “ডিভিশনাল স্ট্রাকচার” চালু করলেন। ১৯৬০-এর দশকে এলো “ম্যাট্রিক্স স্ট্রাকচার” বৈশ্বিক বাজার ও সাপ্লাই চেইনের জন্য। কিন্তু ব্যবসা যত বড় হলো, স্তরের সংখ্যা তত বাড়লো, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বেড়ে গেলো, আর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ধীর হয়ে পড়লো।