‘এবার কাতারে’ শরীফ আহমেদের লেখা একটি আকর্ষণীয় মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণকাহিনি। কাজাখস্তান ভ্রমণ শেষে কাতারে পা রাখার মধ্য দিয়ে শুরু হয় তাঁর মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণের নতুন অধ্যায়। কাতারই ছিল তাঁদের ভ্রমণ করা প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের দেশ। আধুনিক নগরজীবন, মরুভূমির আবহ, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও স্থাপত্যের বৈচিত্র্য এই ভ্রমণকাহিনিকে করেছে প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য।
ভ্রমণের প্রথম দিনেই দেখা মেলে সউক ওয়াকিফের—পুরোনো যুগের মরুর বাজারের আবহে গড়ে ওঠা কাতারের ঐতিহ্যবাহী এই স্থান। এরপর টানা পাঁচ দিন ধরে ঘুরে দেখা দোহা শহরের নানা প্রান্ত। প্রতিদিন কাতারের মেট্রোরেলে যাতায়াতের অভিজ্ঞতাও যুক্ত হয়েছে এই ভ্রমণস্মৃতির সঙ্গে। জুমার নামাজের সময় নিয়ে একটি মজার অভিজ্ঞতাও রয়েছে—দুপুর ১টায় মসজিদে গিয়ে তালা দেখে তাঁদের বিস্মিত হতে হয়েছিল; পরে জানা যায়, সাড়ে ১১টার মধ্যেই জুমার নামাজ শেষ হয়ে যায়।
মরুর গোলাপের মতো সৌন্দর্যের দোহা ন্যাশনাল মিউজিয়াম-এ দেখা মিলেছে কৃত্রিম মরুভূমিতে মরুর প্রাণীদের সমাবেশ এবং ভিডিওচিত্রে স্বাধীন কাতারের ইতিহাস। ভ্রমণপথে রয়েছে পার্ল কাতার, কাতারা কালচারাল ভিলেজ, কাতারা বিচ এবং শেষদিনের স্মরণীয় লুসাইল স্টেডিয়াম। সবশেষে ভিল্লাজ্যু মলের কৃত্রিম আকাশ ও কৃত্রিম দিনের অভিজ্ঞতা দিয়ে শেষ হয় কাতার ভ্রমণের বর্ণিল অধ্যায়।
🌍 কাতারের ঐতিহ্য, আধুনিকতা, সংস্কৃতি ও নগরজীবনকে কাছ থেকে জানতে আগ্রহী ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য ‘এবার কাতারে’ হতে পারে একটি উপভোগ্য ভ্রমণসঙ্গী।