কোহিনূর—এক মহামূল্যবান পাথর, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে শয়তানের রহস্যময় শক্তি। এই পাথরের কাছে মানুষ যখন নিজের বিপদ থেকে মুক্তি কিংবা কাঙ্ক্ষিত কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আসে, তখন শয়তান তাকে প্রলুব্ধ করে। কিন্তু প্রতিটি প্রাপ্তির বিনিময়ে হারাতে হয় নিজের কোনো মূল্যবান সম্পদ। এভাবেই যুগের পর যুগ ধরে চলতে থাকে এক ভয়ংকর চক্র।
হঠাৎ করেই কোহিনূরের শক্তি ক্ষয় হতে শুরু করে। পাথরের হারানো ক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে ওঠে শয়তান। আর সেই অশুভ পরিকল্পনার কেন্দ্রে চলে আসে অধরার গর্ভে বেড়ে ওঠা এক অনাগত শিশু। কিন্তু এই শিশুর জন্ম কি কেবল নতুন একটি প্রাণের আগমন, নাকি তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে কোনো ভয়ংকর অতিপ্রাকৃত রহস্য?
‘সুলতান ভিলা’তে চলে কালোজাদুর চর্চা। অল্পবয়সী মেয়েদের শয়তানের নামে উৎসর্গ করার মতো ভয়াবহ ঘটনার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক অজানা ষড়যন্ত্র। কে নিয়ন্ত্রণ করছে এই অন্ধকার জগৎ? অধরার মনে একে একে সন্দেহ দানা বাঁধে, বিশেষ করে জুবায়েরের জমজ ভাই সুলতান জামশেদ ফারুকীকে ঘিরে।
কোহিনূরের ক্ষমতা দখলের নেশায় সুলতান পরিবারের সদস্যরা জড়িয়ে পড়ে একের পর এক পাপকর্মে। কিন্তু কেউ জানে না, কোহিনূরের শক্তি নিয়ে জন্ম নিতে যাওয়া শিশুটি সাধারণ মানবশিশু হবে, নাকি তার জন্মের সঙ্গে প্রকাশ পাবে অন্য কোনো অজানা শক্তি।
লাবণ্য ইয়াসমিন রচিত ‘কোহিনূর’ রহস্য, ভৌতিক আবহ, কালোজাদু, অশুভ শক্তি ও টানটান উত্তেজনায় ভরপুর একটি ভৌতিক থ্রিলার। অতিপ্রাকৃত রহস্য এবং অন্ধকার জগতের রোমাঞ্চকর কাহিনি যাঁদের আকর্ষণ করে, তাঁদের জন্য বইটি হতে পারে উপভোগ্য পাঠ।