নির্জন প্রান্তর। রাতের তৃতীয় প্রহর। চারদিকে জনমানবহীন নিস্তব্ধতা, আর পূর্ণিমার ঝলমলে জোছনায় দাঁড়িয়ে আছে এক রহস্যময় অষ্টাদশী নারী। তার চোখের মণিতে জ্যোতিষ্কের মতো দীপ্তি, খোলা চুলে রাতের বাতাসের মৃদু দোলা আর নূপুরের রুমঝুম শব্দে ছড়িয়ে পড়ে অজানা এক আতঙ্ক। সে চন্দ্র—ক্ষমতা, মোহ ও ধ্বংসের এক রহস্যময় নাম।
তার কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক ভয়ংকর ঘোষণা—যা তার, তা সে অর্জন করে নয়, ছিনিয়ে নিয়ে নিজের করে নেয়। মৃত্যু কেবল শরীরের, আত্মার নয়। পৃথিবী যতদিন থাকবে, কোহিনূরের শক্তি নিয়ে সে বারবার ফিরে আসবে অবিনশ্বর হয়ে।
কিন্তু কোহিনূরের শক্তির রহস্য কোথায় লুকিয়ে আছে? চন্দ্রের এই ফিরে আসার পেছনে কী রয়েছে কোনো অভিশাপ, অশুভ শক্তি, নাকি এমন এক অতিপ্রাকৃত সত্য, যা মানুষের কল্পনাকেও হার মানায়?
লাবণ্য ইয়াসমিন রচিত ‘কোহিনূর ২’ রহস্য, অন্ধকার, অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা এবং ভয়ংকর এক শক্তির আবর্তে গড়ে ওঠা রোমাঞ্চকর কাহিনি। পূর্ণিমার জোছনা, নির্জন রাতের বিভীষিকা এবং অবিনশ্বর হয়ে ফিরে আসার প্রতিজ্ঞা পাঠককে টেনে নিয়ে যায় এক অজানা রহস্যের জগতে।
ভৌতিক, অতিপ্রাকৃত ও রহস্য-রোমাঞ্চের গল্প ভালোবাসেন যাঁরা, তাঁদের পাঠতালিকায় জায়গা করে নিতে পারে এই বইটি।
কোহিনূরের রহস্যের পরবর্তী অধ্যায় জানতে সংগ্রহ করুন কোহিনূর ২