কৈলাসচন্দ্রিমা — অমিত হাসানের একটি কাব্যিক আবহের সমকালীন উপন্যাস, যেখানে চাঁদ, ছায়া, প্রকৃতি, কল্পনা, দূরত্ব ও অধরা স্পর্শের অনুভূতি এক রহস্যময় ও আবেগঘন জগৎ তৈরি করেছে।
আকাশে চাঁদ নেই, নেই কোনো তারা—তবু জলে পড়ে এক অদ্ভুত ছায়া। সেই ছায়া কি কোনো গাছের, কল্পনার, নাকি চন্দ্রিমার? প্রকৃতির দৃশ্যমান বাস্তবতা আর মনের কল্পনার সীমারেখা এখানে যেন ক্রমেই অস্পষ্ট হয়ে আসে। দূরত্বের ওপারে থাকা প্রিয় কাউকে ছুঁতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জন্ম দেয় নানা প্রশ্নের।
চন্দ্রের কিরণকে স্পর্শ করা যায় না, অথচ তার আলো মুখের ওপর এসে পড়লে অনুভব করা যায় এক অদৃশ্য স্পর্শ। ঠিক তেমনই অধরা কোনো অনুভূতি কি কল্পনায় ছুঁয়ে দেখা সম্ভব? নাকি সেই কল্পনার চন্দ্রিমাই মানুষকে নিয়ে যায় এক অচেনা অনুভবের জগতে?
কৈলাসচন্দ্রিমা বাস্তবতা ও কল্পনার মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে তৈরি করে এক অনুভূতিময় জগৎ, যেখানে চাওয়া ও না-পাওয়া, দূরত্ব ও স্পর্শ, প্রকৃতি ও কল্পনা পরস্পরের সঙ্গে মিশে যায়। চাঁদের আলো ও জলের ছায়ার মতোই রহস্যময় এই আখ্যান পাঠককে নিয়ে যাবে অনুভূতি ও কল্পনার এক ভিন্ন ভুবনে।