‘মুখ ও মুখোশ’ এ. কে. এম. সুলতান মাহমুদের একটি সমকালীন উপন্যাস, যেখানে সমাজ, মানুষের কল্যাণ এবং একটি আদর্শ গ্রাম গড়ে ওঠার গল্পের মধ্য দিয়ে মানুষের ভূমিকা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।
ইসলামপুর গ্রাম আজ একটি আদর্শ গ্রাম। আর এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছেন জামাল মাস্টার। তাঁর উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় গ্রামে গড়ে উঠেছে স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, লাইব্রেরি, ক্রীড়া সংঘ এবং নারী উন্নয়ন সংঘের মতো নানা প্রতিষ্ঠান। ফলে শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম, চিকিৎসা, ক্রীড়া, জ্ঞানচর্চা এবং নারী উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে গ্রামের মানুষের জন্য।
একজন মানুষের উদ্যোগ কীভাবে একটি পুরো জনপদের চিত্র বদলে দিতে পারে, ‘মুখ ও মুখোশ’-এর এই প্রেক্ষাপট সেই প্রশ্নের দিকেই পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। জামাল মাস্টারের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উঠে আসে সমাজ গঠনে ব্যক্তির দায়িত্ব, মানুষের কল্যাণে উদ্যোগ এবং একটি উন্নত ও আদর্শ সমাজ নির্মাণের প্রত্যাশা।
‘মুখ ও মুখোশ’ সমকালীন সমাজ ও মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে লেখা এমন একটি উপন্যাস, যা পাঠককে সমাজ পরিবর্তন ও মানবকল্যাণের ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করে।