“অচিন দ্বীপের উপাখ্যান” — লেখক ড. মুকিদ চৌধুরী-এর একটি ঐতিহাসিক নাট্যোপন্যাস। প্রাচীন ইতিহাসের পটভূমিতে রচিত এই কাহিনিতে গণমানুষের মুক্তি, নির্বাসন, ষড়যন্ত্র, পরাধীনতার গ্লানি এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
খ্রিষ্টপূর্ব ৪৮৮ অব্দে বিজয় সিংহকে ঘিরে শুরু হয় এক গভীর ষড়যন্ত্র। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিণতিতে তিনি তাঁর কন্যাকে নিয়ে নির্বাসিত হতে বাধ্য হন। শেষ পর্যন্ত তাঁদের আশ্রয় হয় সিংহলে। নির্বাসনের সেই জীবন থেকেই শুরু হয় নতুন এক অভিজ্ঞতা—পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং নিজের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম।
কাহিনির কেন্দ্রীয় চরিত্র বিজয় সিংহ-এর মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় বিদ্রোহের চেতনা। বিতাড়িত ও লুণ্ঠিত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা তাঁর চরিত্রে নতুন মাত্রা লাভ করে। ব্যক্তিগত নির্বাসন ও সংকট ক্রমে পরিণত হয় বৃহত্তর মানুষের মুক্তির প্রশ্নে।
“অচিন দ্বীপের উপাখ্যান” ইতিহাসের একটি প্রাচীন অধ্যায়কে অবলম্বন করে মানুষের স্বাধীনতা, আত্মপরিচয় ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে সামনে নিয়ে আসে। ষড়যন্ত্র, নির্বাসন, বিদ্রোহ ও মুক্তির স্বপ্নের মধ্য দিয়ে উপন্যাসটি পাঠককে নিয়ে যায় এক ভিন্ন সময় ও ভূগোলে।