‘রাজকুমারী মারিয়া এবং মরুর জীবন্ত লাশ’ কাজী রাফির একটি রহস্যঘন ও রোমাঞ্চকর উপন্যাস। বাস্তব রাজপরিবারের চরিত্রের সঙ্গে কল্পনার মেলবন্ধনে রচিত এই আখ্যান পাঠককে নিয়ে যায় আফ্রিকার নির্জন মরুভূমি থেকে ডাচ রাজপ্রাসাদের রহস্যময় পরিবেশে।
উপন্যাসের কেন্দ্রে রয়েছেন ডাচ রাজকন্যা অ্যালেক্সিয়া জুলিয়ানা মার্সেলা লরিয়েন্টিয়েন, যিনি মারিয়া নামেও পরিচিত। বোহেমিয়ান জীবনযাপন ও ভ্রমণের প্রতি গভীর আকর্ষণ তাঁকে নিয়ে যায় এক অজানা অভিযাত্রায়। আফ্রিকার মরুর ‘সান’ স্টেডিয়াম এলাকায় একদল সেনা ঘিরে ফেলে পালিয়ে থাকা বৃদ্ধ নাবিক, সৈকত ও রাজকন্যা মারিয়াকে। কিন্তু সেনাদের জালে আটকা পড়লেও রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যান মারিয়া। তাঁর এই অন্তর্ধান জন্ম দেয় নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তার।
অন্যদিকে, বন্দি বৃদ্ধ নাবিকের মৃত্যুদণ্ড নির্ধারিত হয় তিন মাস পর। নাবিকের জীবন বাঁচানোর শর্ত হিসেবে ডাচ রাজা সৈকতকে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রাজকন্যা মারিয়াকে উদ্ধার করার দায়িত্ব দেন। শুরু হয় সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এক বিপজ্জনক অনুসন্ধান, যেখানে জড়িয়ে পড়ে রাজপরিবারের গোপন রহস্য, মরুভূমির অজানা বিপদ এবং এক রহস্যময় অভিযানের পরিণতি।
রাজকুমারী মারিয়া এবং মরুর জীবন্ত লাশ উপন্যাসের প্রথম খণ্ডে রহস্য, রাজকীয় ষড়যন্ত্র, অভিযান ও উত্তেজনার এক ব্যতিক্রমী আবহ তৈরি হয়েছে। রাজপরিবারের বাস্তব চরিত্র ও কল্পনানির্ভর ঘটনার মিশ্রণে রচিত এই কাহিনি রহস্য ও রোমাঞ্চপ্রিয় পাঠকদের জন্য আকর্ষণীয় পাঠ-অভিজ্ঞতা হতে পারে।