রাক্ষসের দ্বীপে মোশতাক আহমেদের কিশোর পাঠকদের জন্য রোমাঞ্চকর একটি সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস। সিমিউলেশন মেশিনের মাধ্যমে ইফিন, নিমি ও টম শুরু করেছে তাদের প্রথম অভিযান। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ভার্চুয়াল জগতের রাজপুত্র জিয়ান। অভিযানের লক্ষ্য ভয়ংকর রাক্ষস গিউমাসকে পরাজিত করে রাজকন্যা নিহিনাকে উদ্ধার করা।
কিন্তু এই অভিযান মোটেও সহজ নয়। গিউমাসের পাহারায় থাকা বিশাল সাপ সিপিলিন শুরুতেই আক্রমণ করে বসে অভিযাত্রীদের। কোনোভাবে নিজেদের রক্ষা করলেও গিউমাসের কাছে পৌঁছানো তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে গিউমাস জানতে পারে তারা দ্বীপে এসেছে। ক্রুদ্ধ গিউমাস তাদের তাড়া করলে সবাই আটকা পড়ে পাহাড়ের নিচের একটি সুড়ঙ্গে। একদিকে ভয়ংকর রাক্ষস, অন্যদিকে বিশাল পাথরে বন্ধ হয়ে যাওয়া পথ—মুক্তির কোনো উপায় নেই।
নিরুপায় হয়ে ইফিন জাদুর তরবারি দিয়ে গিউমাসকে আক্রমণ করে। কিন্তু তখনই সামনে আসে আরও ভয়ংকর রহস্য। আঘাতে গিউমাসের শরীর ক্ষতবিক্ষত হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তার ক্ষত সেরে যায়। তাকে হত্যা করতে হলে প্রয়োজন একটি বিশেষ ছুরি। আর সেই ছুরির পাহারায় রয়েছে ভয়ংকর সাপ সিপিলিন।
সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। গিউমাস ছুটে আসছে তাদের দিকে। সামনে মৃত্যু, পেছনে বন্ধ পথ—এই অবস্থায় কী করবে ইফিন, নিমি, টম ও জিয়ান?
শেষ পর্যন্ত কি তারা গিউমাসকে পরাজিত করে রাজকন্যা নিহিনাকে উদ্ধার করতে পারবে? নাকি ভার্চুয়াল জগতের ভয়ংকর রাক্ষসের হাতে তাদের অপেক্ষা করছে করুণ পরিণতি?
‘রাক্ষসের দ্বীপে’ কিশোর পাঠকদের জন্য সিমিউলেশন মেশিন, ভার্চুয়াল জগত, রহস্য, বিপদ ও রোমাঞ্চে ভরা এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান।