রিফাত অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে রূপন্তির দিকে। এ কী বলছে রূপন্তি! তার সাথে দেখা করতে নাকি ভালো লাগে না! অবিশ্বাস্য! অকল্পনীয়! অথচ এই রূপন্তির জন্য কী না করেছে সে! রূপন্তিও তাকে ভালোবেসেছে, তাকে আপন করে নিয়েছে। কিন্তু আজ হঠাৎ কেন এই পরিবর্তন?
অনেক চেষ্টা করেও রিফাত যখন রূপন্তিকে ফিরিয়ে আনতে পারছে না তখন বাধ্য হয়ে শরণাপন্ন হলো ডাক্তার তরফদারের। সবকিছু শোনার পর ডাক্তার তরফদার নিয়ে আসতে বললেন রূপন্তিকে। রূপন্তি এলোও। গোপনে দিয়ে গেল এক রহস্যময় চিঠি। সেখানে লেখা, ‘স্যার, আমাকে প্রভাবিত করছে হাসান হোসেন নামক অতিমানবীয় ক্ষমতার দুই পাগল। চাইলেও আমি তাদের আবেগী বন্ধন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারছি না। তারা যেমন আমার কাছে আসে, আমাকেও যেতে হয় তাদের কাছে। পারলে আমাকে মুক্ত করুন স্যার, আমি মুক্তি চাই।’
রহস্য উন্মোচনে ডাক্তার তরফদার হাসান হোসেনের সাথে কথা বলে বুঝতে পারলেন হাসান বধির, কিন্তু কীভাবে যেন সবকিছু শুনতে পায়। অন্যদিকে হোসেন অন্ধ, কিন্তু দেখতে পায় সবকিছু। রহস্যের আরো গভীরে গিয়ে অনুধাবন করলেন রূপন্তিকে মুক্ত করবেন কী, হাসান হোসেনের অতিমানবীয় ক্ষমতার বলে তিনি নিজেই প্রভাবিত হচ্ছেন, হারাচ্ছেন নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ, জড়িয়ে যাচ্ছেন খুন-খারাবির বেড়াজালে। সামনে যে এখন মহাবিপদ!
শেষ পর্যন্ত কি মুক্ত হতে পেরেছিল রূপন্তি? আর কী পরিণতি হয়েছিল অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী হাসান হোসেন পাগলার?