একাকিত্ব, দাম্পত্য অবহেলা ও ভ্রান্ত সুখের অনুসন্ধানের গল্প—‘সে দিন রাতে কেউ ছিল না’।
শাহ সোহেলের এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জবন একজন নিরীহ ও সংসারপ্রেমী মানুষ। স্ত্রীকে ভালোবাসলেও দাম্পত্য জীবনে সে বারবার অবহেলা ও অভিযোগের মুখোমুখি হয়। সন্তানহীন সংসারের নীরব কষ্ট আর অপূর্ণতা ধীরে ধীরে তার জীবনে একাকিত্বের গভীর ছায়া ফেলে।
এমন এক সময়ে জবনের জীবনে আসে মতি—এক সৌখিন চোর। অপ্রত্যাশিত এই পরিচয় জবনের মনে সুখ, সম্পর্ক ও জীবনের প্রকৃত অর্থ নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয়। সে কি সত্যিই সুখের সন্ধান পেয়েছে, নাকি সুখের মোড়কে নিজেকে আরও গভীর কোনো ভ্রান্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে? সময়ের সঙ্গে উন্মোচিত হতে থাকে বাস্তবতার ভিন্ন এক রূপ।
‘সে দিন রাতে কেউ ছিল না’ কেবল একজন মানুষের নিঃসঙ্গতার গল্প নয়; এটি দাম্পত্য সম্পর্কের অবহেলা, মানসিক শূন্যতা এবং সুখ খুঁজতে গিয়ে ভুল পথে পা বাড়ানোর এক জীবনঘনিষ্ঠ আখ্যান। মানুষের মনের অপ্রকাশিত কষ্ট, সম্পর্কের ভাঙন ও সুখের প্রকৃত অর্থ নিয়ে উপন্যাসটি পাঠককে ভাবতে শেখায়।